ধরুন আপনি একটি মহৎ ব্যক্তিকে অনুসরণ করছেন। সেই মহৎ ব্যক্তিদের কথা আপনি পালন করছেন এবং সেই মহৎ ব্যক্তিদের দেখানো পথ অনুসারে অগ্রসর হচ্ছেন। আপনি যদি সেই মহৎ ব্যক্তিদের দেখানো পথ অনুসরণ করা হয়ে থাকেন তাহলে আপনিও আপনার জীবনকে সেই মহৎ ব্যক্তিদের মত সুন্দর মত করে পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন এবং একটা সময় এসে আপনিও তাদের মত মহৎ একজন হবেন বলে দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। কারণ আপনি পুরো মনোযোগ সহকারে সেই মহৎ ব্যক্তিকে ফলো করেছেন, তার কথাগুলো মনোযোগ সহকারে শুনেছেন। এতে পরবর্তীতে যেয়ে যদি আপনি সেই ব্যক্তি দের মত মহৎ কেউ নাও হতে পারেন তবুও আপনার মনে কোন আফসোস থাকবে না, তখন আপনি বলতে পারবেন যে আমি চেষ্টা করেছি কিন্তু আমি হতে পারিনি।

  • আপনার মনে কিছুটা কষ্ট থাকলেও অন্তত আফসোস জিনিসটা আপনার মনে থাকবে না। আপনি যদি সেই মহৎ ব্যক্তিদের কথা অগ্রাহ্য করতে না অথবা অবহেলা করতেন তাহলে আপনার মনে অবশ্যই আফসোস থাকতো। বলা হয় সময়ের কাজ সময়ে করুন এবং ভালো জিনিস থেকে নিজেকে কখনোই সরাবেন না বরং সাথে সাথে আয়ত্ত করে নেবেন, এতেই আপনার বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ পাবে। আপনার অবশ্যই মনে রাখতে হবে জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এবং এই মানুষটির দেখানো পথ আমরা কখনই অগ্রাহ্য করতে পারিনা।
  • জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যার কোন কিছুই অবহেলা করার মত ছিল না। কারণ তিনি ছিলেন মহৎ একজন মানুষ, তার সকল কর্মকান্ডই হয়েছিল সকলের জন্য কল্যাণকর এবং অনুপ্রাণিত। জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর যখন যা করতেন সেই জিনিসটি তখনই হয়ে উঠতো সকলের জন্য কল্যাণকর। যখন রাজনীতির ময়দানে ছিলেন তখন অনেক বড় বড় চমক দেখিয়ে ছিলেন মহান এই নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু। চৌধুরী বাবুর কল্যাণে রাজনীতির ময়দানে যেন বড় এক পরিবর্তন এসেছিল, এমন পরিবর্তন রাজনৈতিক ময়দানে সহজে কেউ আনতে পারেনা যেটা জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু করে দেখিয়েছিলেন। তাই আপনি যদি তাকে অগ্রাহ্য করেন অথবা অবহেলা করেন তাহলে এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হবে। পরবর্তীতে যে আপনি অবশ্যই আফসোস করবেন যে আমি কেন জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর দেখানো পথ গুলো কে অনুসরন করলাম না।

Add Your Comment